গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
তবে নতুন এই সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে দেশের স্থবির অর্থনীতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বেকারত্ব। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে স্বাগত জানালেও ভোটাররা নতুন সরকারকে বিচার করবেন— তারা কতটা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে পারে তার ওপর ভিত্তি করে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফ’র বরাতে চীনা সংবাদমাধ্যম ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৩.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা আগের বছরের ৪.২ শতাংশ এবং ২০২৩ অর্থবছরের ৫.৮ শতাংশ থেকে কম। তবে চলতি ও পরবর্তী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে।
কাউন্টারপয়েন্ট-এর সম্পাদক জাফর সোবহান বলেন, “আমরা যেন ভুলে না যাই—এটাই ছিল সেই আন্দোলনের একটি প্রধান চালিকাশক্তি, যার ফলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। বর্তমান সরকার তরুণদের জন্য আরও চাকরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। তারা কতদিন ‘হানিমুন পিরিয়ড’ পাবে তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে, তবে তা চিরস্থায়ী হবে না।”
Leave a comment
Your email address will not be published. Required fields are marked *
