ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-কে ‘সন্ত্রাসবাদী’ সংগঠন ঘোষণার পর পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। স্থানীয় সময় শনিবার (২১) দেশটির পররাষ্ট্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে ইইউর পদক্ষেপকে ‘অবৈধ এবং অযৌক্তিক’ বলে দাবি করা হয়েছে।
একইসঙ্গে আইআরজিসি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সরকারী শাখা এবং এর মনোনীতকরণ জাতিসংঘের সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলো জাতিসংঘের সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি ও নিয়মের পরিপন্থী হয়ে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এসন পরিস্থিতিতে ইসলামী প্রজাতন্ত্র পারস্পরিক সহযোগিতার নীতির ওপর ভিত্তি করে এবং ২০১৯ সালে পাস হওয়া ‘আমেরিকা কর্তৃক ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ড কর্পসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনোনীত করার প্রতিক্রিয়ায় পারস্পরিক পদক্ষেপ’ নেওয়া হয়েছে।
দেশটির আইনের অনুসারে কোন দেশ সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনোনীত করার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে বা সমর্থন করে তারা পারস্পরিক পদক্ষেপের আওতায় আসবে। এই আইনের বিধান অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়নের সকল সদস্য দেশের নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীকে তাদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।
Leave a comment
Your email address will not be published. Required fields are marked *
